মেক্সিকোর রহস্য “জোন অব সাইলেন্স” | Zone Of Silence

রহস্য সম্পর্কে জানতে কে না ভালোবাসে!পৃথিবীর আনাছে কানাছে লুকিয়ে আছে হাজার হাজার রহস্য স্থান।প্রতিনিয়ত ঘটছে অনেক রহস্যময় ঘটনা।আজ আপনাদের জানাবো তেমনই এক রহস্যময় স্থানের কথা।যার নাম “জোন অব সাইলেন্স”(Zone Of Silence)।

জোন অব সাইলেন্স

নাম শুনেই আশা করি অনুমান করতে পারছেন স্থানটির রহস্য।চারদিক সুনসান নিরব।ঘুটঘুটে অন্ধকার।স্থানটির চারপাশে নেই কোন জনবসতি।সবসময় এখানে থাকে একরম ভূতুড়ে পরিবেশ।দিনের বেলা গেলেও ভূতুড়ে পরিবেশের কমতি থাকেনা।প্রতিদিন রাতে এখানে প্রায়ই উল্কাপাত হয়।হঠাৎ করেই এই স্থান থেকে ভেসে আসে উচ্চস্বরে মিউজিক এর আওয়াজ।আপনি যদি সেখানে গিয়ে নিজে মিউজিক বা কোন গান প্লে করেন তাহলে সেটি নিজ থেকেই আপনাআপনি বন্ধ হয়ে যায়।রহস্যময়তার সব চাহিদা পূর্ণ করা এই স্থানটি মেক্সিকোতে অবস্থিত।জোন অব সাইলেন্স এলাকাটি মূলত মেক্সিকোর মরুভুমিতেই অবস্থিত।আরো স্পষ্ট করে বললে মেক্সিকোর মরুভুমির নামই জোন অব সাইলেন্স‌।আশ্চর্যের ব‍্যাপার হলো আরেক বিখ‍্যাত রহস্যময় স্থান বারমুডা ট্রায়াঙ্গেল ও একই অক্ষাংশে অবস্থিত।সেন্ট্রাল মেক্সিকোর মাসিপি মরুভুমির দশ বর্গমাইল এলাকা জুড়েই ঘটে চলেছে এসব রহস্যময় ঘটনা।আর এ কারনেই এটি পরিনত হয়েছে পৃথিবীর অন‍্যতম রহস্যময় স্থানে।


এখানে মানুষের আনাগোনা নেই বললেই চলে।জোন অব সাইলেন্সকে বলা যায় অসংখ্য পোকামাকড়ের ঘরবসতি।আশ্চর্যজনক বিষয় হলো এখানে সব অদ্ভুত ও আজব প্রানীর আনোগোনা লক্ষ্য করা যায়।তাছাড়া এখানে যেসব সাধারণ পোকামাকড়ের দেখা পাওয়া যায় সেগুলো তাদের সমগোত্রীয় প্রানী গুলো থেকে কয়েকগুন বড়।বারমুডা ট্রায়াঙ্গেল এর মতই এখানেও কম্পাস কোন কাজ করেনা।একেবারে বিকল হয়ে যায়।প্রায় প্রতিদিন রাতেই এখানে বর্ষিত হয় উল্কাবৃষ্টি।বিমান নিয়ে পাইলটরা যখন এই স্থান দিয়ে উড়ে যান তখন তারা আতঙ্কিত হয়ে যান।এই বুঝি কোন বিপদ এল!কারণ এখান দিয়ে উড়ে যাওয়ার সময় বিমানের কম্পাস সহ উচ্চতা,বাতাসের গতিবেগ সহ পরিমাপকারী আরো কিছু যন্ত্রপাতি বিকল হয়ে পড়ে।সবকিছুই এলোমেলো হয়ে পড়ে।জোন অব সাইলেন্স এ যেসব ক্যাকটাস গাছ পাওয়া যায় এগুলোর রঙ টকটকে লাল।কিন্তু এই ক‍্যাকটাস গুলো যখন এই এলাকার বাহিরে নিয়ে যাওয়া হয় তখন এগুলো রঙ হারিয়ে ফেলে!স্থানীয় অধিবাসীরা এখানে রাতে অনেকসময়ই অদ্ভুত আলোর আনোগোনা দেখেন।হঠাৎ করে শুনতে পান অদ্ভুত সব আওয়াজ।এখানে কিছু অদ্ভুত বেটে হরিণ এর দেখা পাওয়া যায়।এদের শিং গুলো সাধারণ যেকোনো হরিণ এরচেয়ে অনেক মোটা।এখানে আবার কিছু বিছা দেখা যায় যেগুলোর সাইজ এক ফুট থেকে দুট ফুট পর্যন্ত লম্বা হয়।ক‍্যাকটাস এর মতই এগুলোর মাথাও টকটকে লাল।আশেপাশে যেসব বাসিন্দারা থাকেন তারা দাবি করেন প্রায় রাতেই নাকি তারা ইউএফও(UFO) বা ভিনদেশীদের যান দেখেন।এছাড়াও এসবের বাহিরে আরো হাজারো অদ্ভুত ঘটনা প্রতিনিয়ত ঘটে চলেছে জোন অব সাইলেন্সে।যার রহস্য
এখনো কেউই আবিষ্কার করতে পারেনি।

Comments

comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *