ফুলের অপার সৌন্দর্য যখন মৃত্যুর কারন || The Poisonous Flowers

শুভ রাত্রি বন্ধুরা।

আজকে আপনাদের পরিচয় করিয়ে দিব বিখ্যাত বিষাক্ত কিছু ফুলের সাথে। হ্যাঁ,  বিষাক্ত!!

আমরা ফুল প্রায় সবাই  কম বেশি পছন্দ করি। কেউ আবার ঘরের সোভা বর্ধনের জন্য ফুলদানিতে সাজিয়ে রাখি। ফুলের রুপ যেমন অতুলনীয় সুন্দর তেমনি কিছু ফুলের রয়েছে মিষ্টি গন্ধ।  তবে সাবধান!! সব ফুল কিন্তু মিষ্টি নয়।

চলুন জেনে নেই  কিছু বিষাক্ত ফুল সম্পর্কে:-

১.লিলি অব দ্য ভ্যালীঃ

লিলি অব দ্য ভ্যালী  ফুলটি দেখতে খুবই সুন্দর। দেখলে মনে হয় সুভ্রতার ছোঁয়া ছরিয়ে আছে এর চারপাশে। এর আরেকটি নাম ও রয়েছে।তা হচ্ছে Covallaria Majalis. দেখতে যেমন সুন্দর তেমন রয়েছে বিষাক্ত রাসায়নিক! যা একজন সুস্থ মানুষকে মেরে ফেলার জন্য যথেষ্ট। এতে রয়েছে Amino Acid ও azetidine-2-carboxylic acid. এই ফুল গাছের রাসায়নিক বিষ হৃদস্পন্দন কমিয়ে দিতে পারে, বমি হতে পারে, তলপেট এ খিচুনি হতে পারে আর সব শেষে মৃত্যু!!

 

২.উলফসবেনঃ

উলফসবেন এরা ওমেন্স বেন বা ডেভিলস হেলমেট নামেও পরিচিত।  এটি ঝুমকোলতা প্রজাতির অন্তর্গত।  এটি একটি বহুবর্ষজীবী উদ্ভিদ।  এর মধ্যে রয়েছে Alkaloid Pseudaconitine  নামক বিষাক্ত রাসায়নিক বিদ্যমান।  যদি কেউ এটি খেয়ে ফেলে তবে সারা শরীরে জ্বালা পোড়া শুরু হয়ে যাবে। যদি অতিরিক্ত পরিমাণ খেয়ে ফেলে তবে মাত্র ২-৬ ঘন্টার মধ্যেই মৃত্যু হতে পারে। একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষকে মারার জন্য ২০ মিলিগ্রাম ই যথেষ্ট! আগে শিকার করার জন্য তীরের অগ্রভাগে এই বীষ ব্যবহার করা হতো।

 

৩.ফক্সগ্লভসঃ

ফক্সগ্লভস এটি ডিজিটালিস নামে পরিচিত। যা মৃত মানুষের ঘণ্টা নামে পরিচিত।  এটির সবটাই বিষে ভরা! এমনকি এর বীজেও বিষ রয়েছে। যদি কেউ এই ফুল খায় তবে তার দৃষ্টিভ্রম, বমি, চিন্তাভ্রম, হৃদস্পন্দন উঠা নামা, এবং কাঁপুনি হতে পারে।  অধিক পরিমানে খেলে মৃত্যু হতে পারে!

 

৪.ইংলিশ ব্রুমঃ

ইংলিশ ব্রুম এটি দেখতে খুবই সুন্দর।  যে কারো নজর কারার ক্ষমতা রয়েছে এর। এর জন্মস্থান পশ্চিম ও মধ্য ইউরোপ এ।এই ফুলের বৈজ্ঞানিক নাম সাইটিটাস স্কোরপেরিয়াস। এর বিষাক্ত রাসায়নিক হৃদস্পন্দন ও স্নায়ুতন্ত্রের কর্মদক্ষতা দুর্বল করে দিতে পারে। এটি শিশু ও গর্ভবতী মহিলাদের জন্য অনেক ক্ষতিকর।

 

আজকে এ পর্যন্তই…
খুব শীঘ্রই ফিরে আসছি আরো মজাদার বিভিন্ন তথ্য নিয়ে…

Comments

comments