রহস্যজনক ভাবে মানুষ নিখোঁজ!

পৃথিবীর বুকে প্রতিনিয়ত বিভিন্ন রহস্যময় ঘটনা ঘটছে।যেগুলোর কোন ব‍্যাখ‍্যাই পাওয়া যায়না।অনেক বিজ্ঞানী অনেক গবেষণা করেও এসব ঘটনার কোন ব‍্যাখ‍্যা দাড় করাতে পারেননা।এই যেমন দিন দুপুরে হঠাৎ করেই গ্রামের সব মানুষ উধাও হওয়ার ঘটনা।পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে অনেক সময়ই এভাবে মানুষ গায়েবের ঘটনা ঘটেছে।কিন্তু কোন বিজ্ঞানী অথবা অন‍্যকেউ কখনো এসব ঘটনার রহস্য উদঘাটন তো দূরের কথা এর টিকিও খুজে পাননি।
মানুষ গায়ের হবার ঘটনা প্রথম শুনা যায় ১৯৩০ সালের দিকে।১৯৩০ এর সেপ্টেম্বর এর দিকে কানাডার একটি গ্রামের মানুষ হঠাৎ করেই উধাও হয়ে যায়।কোন আলামত ছাড়াই স্রেফ উধাও।এস্কিমো নামক অধিবাসীরা ওই গ্রামে বসবাস করতো।সমস্ত গ্রাম খুজেও কোন মানুষের দেখা পাওয়া যায়নি।একেবারে হঠাৎ করেই গ্রামটি জনশূন‍্য হয়ে যায়।কিন্তু তাদের পালিত পশু পাখি,বাড়িঘর সবই ঠিক ছিল।হঠাৎ করে এই ঘটনায় চিন্তায় পড়ে যায় স্থানীয় প্রশাসন ও সরকার।এর রহস্য উদঘাটন এর দায়িত্ব দেয়া হয় কানাডার সেরা সব গোয়েন্দাদের।কিন্তু কেউ কিছু বের করতে পারেনি।আরো অবাক করার বিষয়টি হচ্ছে গ্রামের কবরগুলোতে আগে যাদের সমাধিস্থ করা হয়েছিল তাদের লাশও হাওয়া।নেই কোন কঙ্কাল ও।এখনো কেউ জানেনা পুরো একটি গ্রাম শুদ্ধ মানুষগুলো কোথায় গেল!

*এই সেই এস্কিমোদের গ্রাম

পশ্চিম ইয়র্কশায়ারের এক ধর্মগুরু সকালে প্রাত ভ্রমনে বের হন।কিন্তু কিছূদূর যাওয়ার পরই তিনি অদৃশ্য হয়ে যান হঠাৎ করেই!১৯৭৫ সালে এক ভদ্র মহিলা তার স্বামীসহ ভ্রমণে যান রাশিয়ায়।দুইজন সেখানে সীমান্ত রেখা বরাবর হাটছিলেন।তিনি সামনে আর তার স্বামী পিছনে।এভাবে কিছুক্ষণ হাটার পর পিছনে তাকিয়ে দেখেন তার স্বামী গায়েব!প্রায় ৪বছর পর্যন্ত অপেক্ষা করেন স্বামীর জন্য।কিন্তু আসেননি স্বামী।এরপর ১৯৭৯সালে স্বামীর বিরুদ্ধে কোর্টে তালাকের আবেদন করেন তিনি‌।১৮৩৮ সালে এভাবেই হারিয়ে গিয়েছিলেন আমেরিকার এক কৃষক।খামার থেকে বের হবার পরেই স্রেফ উধাও হয়ে যান তিনি!সম্পূর্ণ ঘটনাটি ঘটেছিল তার স্ত্রী সন্তান ও দুই প্রতিবেশীর সামনেই।তারা সবাই হতবাক হয়ে যান এই ঘটনা দেখে!মোর ভিক্টর নামক আরেক ভদ্রলোক ও নিজের বাড়ির সামনে হাটাহাটি করতে করতেই উদাও হয়ে যান।
এভাবে একবার ৬০০ ফরাসি সৈনিক রাস্তা ধরে হাটার সময় হঠাৎ করেই ভেসে ভেসে উপরে উঠতে থাকে।আশেপাশের লোকজন সেই ঘটনা দেখছে আর অবাক হচ্ছে।সময় ১৯৩৯।জাপান চীন যুদ্ধ চলছে।তখনই ঘটে আরেক ঘটনা। চীনের তিনহাজার সৈনিক হঠাৎ করেই উধাও হয়ে যায় যুদ্ধ চলার সময়ই।সেপ্টেম্বর ১০তারিখ দুপুরে এই ঘটনা ঘটে।সবজায়গা চষে ফেলা হয় তাদের জন্য কিন্তু পাওয়া যায়নি।এবং যুদ্ধ শেষের পর জাপান ও জানায় তারা এদের আটক করেনি।
এভাবে মানুষ গায়েব হওয়ার ঘটনার কোন ব্যাখ্যা আদৌ পাওয়া যায়নি।কখনো পাওয়া যাবে কিনা কেউ জানেনা।কোথায় গেল কেন গেল কারা নিল কিছুই জানা নেই আমাদের কারোও।অনেকে ধারণা করে থাকেন এলিয়েনরা তাদের নিয়ে গেছে।তবে আশ্চর্য হবার মত তথ্য হচ্ছে বিজ্ঞানীদের ধারণা জার্মানির নুরেমবার্গ শহরে একবার এমনই একজন হারিয়ে যাওয়া মানুষ ফিরে এসেছিলেন।তবে সে ছিল বাকশক্তিহীন।তার পা দুটি ছিল অনেক ফোলা।আলোর মধ‍্যে চোখ খুলতে পারছিলেন না তিনি।অদ্ভুত রহস্যময় ও অজানা কোন ভাষায় নির্দিষ্ট দশটি শব্দ বারবার উচ্চারন করছিল সে।দুঃখের বিষয় হলো আজও সেই শব্দগুলোর অর্থ কেউ আবিষ্কার করতে পারেনি।ওই ব‍্যক্তি সবসময় আগুনের দিকে তাকিয়ে থাকত এবং স্বাভাবিক এরচেয়ে বেশি খাবার খেত।কেন তা কেউ জানেনা।১৮৩৩সালে অজ্ঞাত কেউ তাকে হত্যা করে।কেন হত্যা করা হয়েছিল সেটিও অজানা।এক গবেষক এর দাবি ছিল তিনি খুন হয়েছিলেন কোন ঘাতক এলিয়েন এর হাতেই যাতে পৃথিবীর মানুষ এসব ঘটনার রহস্য বের করতে না পারে।তবে পুরোটাই অনুমান।
ভবিষ্যতে কখনো এসব ঘটনার ব‍্যাখ‍্যা পৃথিবীর মানুষ জানবে কিনা কেউ জানেনা।বিজ্ঞানীরা তাদের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।অনেকে আবার অতিপ্রাকৃত কিছুর কাজ বলে যুক্তি দাড় করাতে চেষ্টা করেছেন।হয়তো কোনদিন জানা যাবে এসব ঘটনার রহস্য হয়তো কখনোই যাবেনা!!!

?এই সেই লোক যে ফেরত এসেছিল

Comments

comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *